বেঙ্গল নেক্সট্: দুর্গাপুর:
ইস্পাতনগরী দুর্গাপুরে শুরু হল মা উমার আগমনী বার্তা। শনিবার উল্টো রথের পূণ্য তিথিতে দুর্গাপুরের শংকরপুরে ঢাক, শঙ্খ, উলুধ্বনি ও মন্ত্রচ্চারণের মধ্য দিয়ে মহা সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হল শংকরপুর সার্বজনীন দুর্গাপুজোর খুঁটিপুজো। এই বছর এই পুজো ২৬তম বর্ষে পদার্পণ করল।

এই বছরের পুজোর থিম দীঘায় সদ্য গড়ে ওঠা জগন্নাথ মন্দির। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত, গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার, জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, এসবিএসটিসি চেয়ারম্যান সুভাষ মন্ডল এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শংকরপুর সার্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটির সদস্য স্বাধীন ঘোষ সহ শংকরপুর সার্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটির সকল সদস্যরা। শংকরপুর সার্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটির সদস্য স্বাধীন ঘোষ জানান, “এবছর পুজো ২৬ তম বর্ষে পদার্পণ করল। তাই এই বছরের পুজোর বিশেষ আকর্ষণ থাকছে দীঘার জগন্নাথ মন্দির। পুজোর বাজেট ৫৫ লক্ষ টাকা।” তিনি আরও জানান, “দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে সাধারণ ভাবে পুজো হলেও গত বছর রজত জয়ন্তী বর্ষে পুজোর বাজেট অনেকখানি বাড়ায় আমেরিকার স্বামী নারায়ন মন্দিরের আদলে পুজোমণ্ডপ তৈরি হয়, যা দর্শকের কাছে প্রচুর সুনাম অর্জন করে। তাই এবছরেও দর্শকদের নতুন কিছু উপহার দেওয়ার তাগিদে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের আদলে দুর্গাপুজো মণ্ডপ তৈরি করার চিন্তাভাবনা। তিনি আশাবাদী গত বছরের তুলনায় এই বছরেও দর্শকের সমাগম বাড়বে। দুর্গাপুরবাসী তথা তামাম বঙ্গবাসীকে তিনি পূজামণ্ডপ দেখতে আসার আহ্বান জানান।” 

এদিন পুজো কমিটির কার্যকরী সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী জানান গত বছরের ভিড়ের কথা মাথায় রেখে এবার বাড়তি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগকে বলা হবে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।
অন্যদিকে রাজ্যের পঞ্চায়েত, গ্রাম উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তথা এই পুজো কমিটির সভাপতি প্রদীপ মজুমদার জানান, যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী দীঘায় জগন্নাথ মন্দির স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন ঠিক সেই মন্দিরের আদলে এই পুজো কমিটির মন্ডপের উদ্যোগ সাধুবাদ যোগ্য। তিনি আশা করেন, এই মন্ডপ এবার সকলের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় হবে।








