বেঙ্গল নেক্সট:
আগামী ৪ঠা নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে দুর্গাপুর মহকুমা আদালতের বার অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন। তিন বছর অন্তর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। চলতি বছরের মার্চ মাসে বিদায়ী কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর থেকেই নতুন নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হয়। অবশেষে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই সেই গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের দিন নির্ধারিত হয়েছে।
মোট ২৬টি আসনের জন্য এবছর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৯৭ জন প্রার্থী। ইতিমধ্যেই আদালত চত্বরে নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনার পারদ চড়েছে। প্রতিটি পদেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত মিলছে।
সভাপতি পদপ্রার্থী সঞ্জীব কুন্ডু সোমবার দুর্গাপুর প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক বৈঠক করে ৫৬ দফা প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেন। তার সঙ্গে ছিলেন জুনিয়র আইনজীবী শবনম সান্যাল। আদালতের পরিকাঠামো উন্নয়ন, সদস্যদের কল্যাণ, ও বিচার প্রক্রিয়ার গতিশীলতা আনাই তাঁর অঙ্গীকারের মূল প্রতিশ্রুতি। এছাড়া দুর্গাপুরের সার্কিট বেঞ্চ ও ৬ থেকে ৮ টি নতুন কোর্ট আনার কথা বলেন তিনি।
আইনজীবী মহলে এই নির্বাচনকে ঘিরে উৎসাহ ও আগ্রহ চোখে পড়ার মতো।
দুর্গাপুর মহকুমা আদালতের আসন্ন বার অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন কেবল নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার লড়াই নয়, বরং আগামী তিন বছরের জন্য আইনজীবী সমাজের দিকনির্দেশ নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও বটে। এখন দেখার এই লড়াই কতটা হাড্ডাহাড্ডি হয়। তবে এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জেতার ব্যাপারে ১০০ শতাংশ আশাবাদী বলেই সঞ্জীব বাবু জানান। যদিও বিপক্ষ প্রার্থীদের বিষয় তিনি এড়িয়ে যান। অ্যাসোসিয়েশনের পদাধিকারী নির্বাচনে বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই হবে বলেই সঞ্জীব বাবুর মত। প্রার্থীদের ছবিসহ বড় বড় হোর্ডিং, পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছে আদালত চত্বর। এখন দেখার ভোটের ফলে তার প্রভাব কতটা পড়ে।







